Filed under

আপনভাবনা

See all posts on posterous with this tag »

Free Culture: A book you need to read

There are many talks on piracy, intellectual property rights and open source philosophy. You may also be involved in a debate on 'free as in bear or free as in freedom'. Whatever you call it, you need to understand the concenpt of free culture. In this book, the author has expleined many essential concepts which should be clear to anyone who is taliking about IPR or FOSS.
I liked many ideas expressed in this book: such as piracy and its classification. After reading this section, readers understand what is piracy and what kind piracy is really armful for the authors and publishers. Then it also discusses 'poperty' and 'puzzles'. These all are good read and useful. I liked to read it and hope others will also like. This book is availbale in print from Amazon, B&N and other bookstores, as well as you can read this book at scribd (as shown above).

Loading mentions Retweet
Comments (0)
Posted 9 months ago

আমরা কি ভুল করেছি?

Intricate design in a Nakshikatha, a tradition...

Image via Wikipedia

আজ সকালে পত্রিকার পাতার দিকে তাকিয়ে মনটা খারাপ হয়ে গেল। বড় শিরোনাম। ছাত্রলীগ কর্মীদের গোলাগুলি। একজনের হাতে বন্দুক দেখা যাচ্ছে। খুব কাছ থেকে নেয়া ছবি। মুখ দেখা যাচ্ছে না। সন্ত্রাসীদের মুখ দেখা যায় না। বিশেষ করে রাজনীতির ছত্রছায়ায় যারা বড় হয়।
ব্যাপার কি? কেন এই যুদ্ধ? জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দখল নেয়া নিয়ে। এবারে বিপুল ভোটে 'ঐতিহাসিক' বিজয় নিয়ে আসার পরই আওয়ামীলীগের এই 'সহযোগী' সংগঠন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আলোচিত হয়ে ওঠে।  ক্ষমতাসীন দল সেখানে ছাত্রলীগের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। কিন্তু আবার এই যুদ্ধ কেন? কী দখল করতে চায় তারা? খবরে প্রকাশ, একটি হলের বিশাল নির্মাণযজ্ঞের হিস্যাদার হওয়ার জন্যই এই যুদ্ধ।
এমনিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের দেশে বিখ্যাত হয়েছে উঠেছে। অনেক কারণ আছে তার। সেখানেই এক বিশ্বরেকর্ড গড়া হয়েছে। ধর্ষণে সেঞ্চুরি! সেখানেই ঘটেছে (খবরে প্রকাশ পেয়েছে) ক্রমাগত যৌন হয়রানির। বারবার কিছু শিক্ষকের বিরুদ্ধে উঠেছে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। সেসব নিয়ে আন্দোলনের সরগরম থেকেছে ক্যাম্পাস। আরো অনেক কারণেই এই ক্যাম্পাস আলোচিত। সম্ভবত এই ক্যাম্পাসে অনেক বেশি সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড হয়। এখানে আছে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ। আর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বলতেই মুখের সামনে ভেসে ওঠে সেলিম আল দীন। তবে কখনো কখনো তাকে ছাপিয়ে প্রকট হয়ে ওঠে ধর্ষক মানিকের মুখ! এখন যেমন প্রকট হয়ে উঠেছে ছাত্রলীগ, আর তাদের হাতের অস্ত্র। সকালবেলায় এই সংবাদ দেখে মনে হলো সরকার তার নিজের দল ও সহযোগী সংগঠনের উপরই নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারছে না, পুরো দেশকে নিয়ন্ত্রণে রাখবে কীভাবে?

২.
নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নটি আরো জেঁকে বসল অফিসে যাত্রা করার পর। গত দুবছর প্রায় একটি রুটিনে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। বিশ মিনিটে অফিসে পৌঁছে যেতাম। সিএনজি ও ট্যাক্সি ক্যাবওয়ালারা যেতে রাজি হতো না প্রায়ই, তবে তাদের মধ্যেও কেউ কেউ মানবিকতার প্রদর্শন করত। দশ টাকা বা বিশ টাকা 'খুশি' হয়ে বেশি দিতে হতো। এর ফলে আমাতকে ৫০-৬০ টাকার স্থানে সর্বোচ্চ ৮০ টাকা দিতে হতো।
সরকার পরিবর্তনের পর ভাবলাম জিনিসপত্রের দাম কমার সাথে সাথে এসবেরও পরিবর্তন হবে। কিন্তু এখন কোনো সিএনজি ১০০ টাকার কমে যেতে রাজি হয় না। যদিবা তারা রাজি হয় - রাস্তা দিয়ে যাওয়া যায় না। পুরো রাস্তা জুড়ে জট। অনেক গাড়ি। বেশিরভাগই ব্যক্তিগত গাড়ি। বাচ্চাদের নিয়ে স্কুলে যাচ্ছে, বাবুদের নিয়ে অফিসে যাচ্ছে, মেমদের নিয়ে অন্য কোথাও যাচ্ছে। রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশদের তৎপরতাও সেরকম নজরে পড়ছে না। এখন অনেক জায়গায় ট্রাফিক পুলিশও নেই। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা। রাস্তায় গাড়িচালকরাও গণতন্ত্রের চর্চা করছেন ইচ্ছেমতো গাড়ি চালিয়ে। এসব দেখে মনে হচ্ছে ট্রেনটি আবার লাইনচ্যুত হতে যাচ্ছে, শীঘ্রই।

৩.
গণতান্ত্রিক অধিকারের ষোলকলা পূর্ণ হতে চলল মনে হয়। বিকেলে অফিস থেকে ফেরার পথে খবরে দেখলাম সংসদে এক মহান সংসদ সদস্যের প্রস্তাবনা। জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম বদলিয়ে শেখ রাসেল বিমানবন্দর করা হোক। প্রস্তাবনা করেছেন মহাজোটের এক সাংসদ সদস্য। বলার প্রয়োজন রাখে না - এটা তাদের অধিকার। তাঁরা নির্বাচিত হয়েছেন প্রস্তাবনা করার জন্য। এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের চর্চায় সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোটে তা অনুমোদিতও হয়ে যেতে পারে। সেটি অনুমোদিত হলে কারো কিছু বলার থাকবে না - কারণ আমরা - এদেশের জনগণ - তাঁদের নির্বাচিত করে সংসদে পাঠিয়েছি। তাঁদের আমরা ক্ষমতা দিয়েছি, একচ্ছত্র ক্ষমতা; তাঁরা এখন ইচ্ছে করলে দেশটার নামও বদলে ফেলতে পারেন, কিংবা করতে পারেন আরো অনেক কিছু।

৪.
আমরা এদেশের সাধারণ মানুষ। একটু শান্তিতে থাকতে চাই। একটু ভাল থাকতে চাই। প্রতিবার আমরা স্বপ্ন দেখি। কিন্তু তারপরও হঠাৎ করেই নিজেদের অপরাধী মনে হয়, জিজ্ঞাসা করি - আমরা কি ভুল করলাম? এখনও আশা করছি, এর উত্তর হবে, না।

Loading mentions Retweet
Comments (0)
Posted 9 months ago

বোধ ১

nature

Image by Per Ola Wiberg (Powi) via Flickr

আজ আকাশের দিকে চেয়ে মনে হলো কী যেন নেই। সেই সকাল থেকে একটি শূণ্যতা। সেটি পূর্ণতা পেল দুপুরে এসে। শূণ্যতা পূরণের জন্য এদিকে সেদিকে হাত বাড়ালাম। বন্ধুরা কেউ নেই। সবাই ব্যস্ত। ব্যস্ততা ঠিক এই জীবনের জন্য, নাকি ব্যস্ততার জন্যই জীবন বোঝা ভার। বন্ধুরা কেউ সাড়া না দিলে খারাপ লাগে। আবার ফিরে আসি। বারবার মনে হয় আমি একা। একলা চলাই আমার নিয়তি। কিছু প্রত্যাশা করা দুরাশা। তবে নিয়ম এই যে আশা কখনো যুক্তি মানে না, সম্ভব-অসম্ভব বিচার করে না। মানুষ আশা করে, সেসব আশাই বড় যা পূরণ হওয়া প্রায় অসম্ভব। আর একরম আশা আছে বলেই মানুষ বেঁচে থাকে। এরকম আশা থাকে বলেই যুদ্ধের মাঝে মানুষ শান্তির স্বপ্ন দেখে। এরকম আশা থাকেই বলে নি:সঙ্গতাকে বেছে নিয়ে মানুষ পাড়ি জমায় মহাশূণ্যের পানে। ছুটে চলে মহাশূণ্যে। এই ছুটে চলা, এই খুঁজে ফেরা, এই আশা - সবটাই যখন অর্থহীন মনে হয়, তখন কারো বাঁচতে ইচ্ছে করে না। কিন্তু হঠাৎ করেই কেউ যদি দেখতে পায় কী নিদারুণ কষ্টে খেয়ে না খেয়ে এ জীবনকে বয়ে নিয়ে যায়, তখন আবার বাঁচার ইচ্ছা জেগে ওঠে।

Loading mentions Retweet
Comments (0)
Posted 9 months ago